ন্যাটোর উদ্ভব ও পরিচিতি বিষয়টি সাম্প্রতিক সময়ে ঘটে জাওয়া গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আমাদের ভিডিও গুলোতে আমরা পৃথিবীর সকল গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াবলী তুলেধরি।
ন্যাটোর উদ্ভব ও পরিচিতি
উত্তর আটলান্টিক নিরাপত্তা জোট বা ন্যাটো (ইংরেজি: North Atlantic Treaty Organisation বা NATO; ফরাসি: Organisation du traité de l’Atlantique nord বা OTAN) ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল প্রতিষ্ঠিত একটি সামরিক সহযোগিতার জোট। ন্যাটো জোটভুক্ত দেশগুলোর পারস্পরিক সামরিক সহযোগিতা প্রদানে অঙ্গীকারবদ্ধ।
আটলান্টিক মহাসাগরের দুই পাড়ে অবস্থিত উত্তর আমেরিকার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা এবং ইউরোপের অধিকাংশ দেশ এই জোটের সদস্য। এছাড়া তুরস্কও এই জোটের সদস্য। প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ১২টি। ন্যাটোর বর্তমান সদর দপ্তর যদিও বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে, পূর্বে এর সদর দপ্তর ছিলো ফ্রান্সের প্যারিসে। এই সামরিক জোটের এস্যোসিয়েট সদস্য দেশ রাশিয়া সদস্য নয়। সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে তুরস্ক ও আলবেনিয়াই কেবল মুসলিম দেশ। জেসন স্টলবারবার্গ বর্তমানে ন্যাটো মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
ন্যাটো একটি সম্মিলিত প্রতিরক্ষা গোষ্ঠী। এর সদর দপ্তর বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে অবস্থিত। ন্যাটোর বর্তমান সদস্য-দেশের সংখ্যা ৩১। এদের মধ্যে ২৯ টি দেশ ইউরোপের, আর বাকি ২ টি দেশ উত্তর আমেরিকার৷ ২০০৯ সালের ১ এপ্রিল আলবেনিয়া এবং ক্রোয়েশিয়া ন্যাটোতে যোগ দেয়। উত্তর মেসিডোনিয়া ২৭ মার্চ ২০২০ তারিখে যোগ দেয়। সর্বশেষ ফিনল্যান্ড ৪ এপ্রিল ২০২৩ তারিখে ন্যাটোতে যোগ দেয়। ন্যাটোর সম্মিলিত সামরিক বাহিনীর খরচ পৃথিবীর সকল দেশের সামরিক খরচের প্রায় ৭০ ভাগ।
আসলে ন্যাটো একটি যৌথ নিরাপত্তা ব্যবস্থা যার মাধ্যমে এর স্বাধীন সদস্য রাষ্ট্রগুলো কোনো বহিরাগত পক্ষের আক্রমণের জবাবে পারস্পরিক প্রতিরক্ষার জন্য সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত নেয়। ন্যাটো প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল স্নায়ুযুদ্ধের সময় সোভিয়েত ইউনিয়নের হুমকির জবাব দেয়ার জন্য। সোভিয়েত ইউনিয়নের বিলুপ্তি হওয়ার পরও এই জোটটি এখনো টিকে আছে। বর্তমানে এই জোট বলকান, মধ্যপ্রাচ্য, দক্ষিণ এশিয়া এবং আফ্রিকাতে সামরিক অভিযানে জড়িত রয়েছে। এই সংগঠনের মূলমন্ত্র হল “animus in consulendo liber” (ল্যাটিন এর জন্য “A mind unfettered in deliberation”)।
ন্যাটোর উদ্ভব ও পরিচিতি নিয়ে বিস্তারিত ঃ
