কবি বিদ্যাপতি | লাল নীল দীপাবলি | হুমায়ুন আজাদ | বাংলা প্রস্ততি
কবি বিদ্যাপতি : বিদ্যাপতি ছিলেন রাজসভার মহাকবি। রাজার নাম শিবসিংহ, রাজার রাজধানীর নাম মিথিলা। বিদ্যাপতি বাঙলা ভাষায় একটিও কবিতা লিখেন …
বাংলা সাহিত্যের জীবনী | Biography of Bengali Literature : সাহিত্য হল সমাজের দর্পণ। সাহিত্যের বিষয় মানব চরিত্র এবং মানব হৃদয়। বাংলা সাহিত্যের প্রথম দিকে অর্থাৎ নবম দশম শতাব্দী থেকে অষ্টাদশ শতাব্দী পর্যন্ত প্রাচীন ও মধ্যযুগের বাংলা ভাষা ও সাহিত্য পাঠ করে আমার ঐ সময় কালের জনজীবন, ধর্ম-সংস্কৃতি, আর্থ-সামাজিক ও ঐতিহাসিক পরিস্থিতি সম্পর্কে একটি ধারনা তৈরী করতে পারবো। যার মধ্য দিয়ে বাঙালি জাতির ইতিহাস ও পরম্পরা সম্পর্কে দার্শনিক নান্দনিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে জানতে পারবো।
কবি বিদ্যাপতি : বিদ্যাপতি ছিলেন রাজসভার মহাকবি। রাজার নাম শিবসিংহ, রাজার রাজধানীর নাম মিথিলা। বিদ্যাপতি বাঙলা ভাষায় একটিও কবিতা লিখেন …
মঙ্গলকাব্য থেকে বৈষ্ণব পদাবলিতে আসা হলো একটি গুমোট স্বল্পালোকিত দালানের ভেতর থেকে উজ্জ্বল সবুজ দক্ষিণের বাতাসে মাতাল বনভূমিতে আসা। মঙ্গলকাব্য …
রায়গুণাকর ভারতচন্দ্র : দেবী অন্নন্দা নদী পার হলো ঈশ্বরী পাটনির খেয়ানৌকোয়। তীরে নেমে মাঝিকে জিজ্ঞেস করলো, ‘কী বর চাও তুমি, মাঝি? …
কবির নাম মুকুন্দরাম চক্রবর্তী। তাঁর কাব্যের নাম চণ্ডীমঙ্গলকাব্য। কবির উপাধি ছিলো কবিকঙ্কন, উপাধিটি চমৎকার। মুকুন্দরাম চক্রবর্তী মধ্যযুগের একজন শ্রেষ্ঠ কবি; …
মনসামঙ্গলের নীল দুঃখ : চাঁদসদাগর আগে ছিলো স্বর্গে। স্বর্গে শোনা যায় সবাই সুখে থাকে, চাঁদসদাগরও ছিলো। কিন্তু কপালে তার সুখ সইলো …
চণ্ডীমঙ্গলের সোনালি গল্প : চণ্ডীমঙ্গলের আছে দুটি বেশ কার গল্প একটি কালকেতু-ফুল্লরা অন্যটি ধনপতি লহনা-খুলনার। চণ্ডীমঙ্গলের গল্প মধুর আনন্দের, বেদনার বদলে …
চৈতন্য ও বৈষ্ণবজীবনী : চৈতন্যদেব এঁক অক্ষরও কবিতা লেখেন নি, তবু তিনি বাঙলা সাহিত্যের ইতিহাসে অধিকার ক’রে আছেন বড়ো স্থান। বাঙলা …
দেবতার মতো দুজন এবং কয়েকজন অনুবাদক : কোনো ভাষা শুধু মৌলিক সাহিত্যে সমৃদ্ধ হতে পারে না। যে-ভাষা যতো ধনী, তার অনুবাদ …
প্রদীপ জ্বললো আবার : মঙ্গলকাব্য : এক সময় অন্ধকার যুগের অবসান হয়, আবার জ্বলে দীপশিখা বাঙলা সাহিত্যের আঙ্গিনায়। এবার যে-দীপ …
অন্ধকারে দেড়শো বছর : চর্যাপদ রচিত হয়েছিলো ৯৫০ থেকে ১২০০ অব্দের মধ্যে। কিন্তু এরপরেই বাঙলা সাহিত্যের পৃথিবীতে নেমে আসে এক …