বুলিয়ান বীজগণিত এবং লজিক গেট সত্য=১, মিথ্যা=০; এই যুক্তির ভিত্তিতে বুলিয়ান- বীজগণিত আবিষ্কার করেন ইংরেজ গণিতবিদ জর্জ বুলি। লজিক গেইট হলো ইলেকট্রনিক সার্কিট যা ইনপুটসমূহের লজিক অবস্থার উপর ভিত্তি করে আউটপুট প্রদান করে। এটি এইচএসসির বিষয়। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা এবং বিসিএস প্রস্ততি সহ চাকরির পরীক্ষার জন্য এটি জরুরী। আইসিটি বিষয়ে ৬টি ভিডিও টিউটোরিয়াল দিয়ে আমরা একটি সিরিজের করেছি বিষয়টাকে সহজ করতে।
Table of Contents
বুলিয়ান বীজগণিত এবং লজিক গেট
বুলিয়ান বীজগণিত
বুলিয়ান বীজগণিত নিয়ে ইংরেজ গণিতবিদ জর্জ বুল ১৮৪৭ সালে তার প্রকাশিত প্রথম গ্রন্থ দ্য ম্যাথমেটিক্যাল অ্যানালাইসিস ওফ লজিক (যুক্তিবিজ্ঞানের গাণিতিক বিশ্লেষণ)-এ সর্বপ্রথম আলোচনা করেন। পরবর্তীতে তিনি ১৮৫৪ সালে গণিত ও যুক্তির মধ্যে সম্পর্ক নিয়ে তার এন ইনভেস্টিগেশান অফ দ্য লজ অফ থট (চিন্তার নিয়ম নিয়ে কিছু চিন্তাভাবনা) গ্রন্থে বুলিয়ান -বীজগণিত নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

বুলিয়ান বীজগণিত তিনভাবে সাধারণ বীজগণিত থেকে ভিন্ন হতে পারে: চলকের মান গ্রহণে, যা সাংখ্যিক কোন চিহ্নের বদলে লজিক মেনে চলে, যথাক্রমে “১” এবং “০”; এই মানগুলোতে প্রযোজ্য অপারেশনে; এবং এই অপারেশনগুলোর বৈশিষ্ট্যে, অর্থাৎ তাদের নিয়মে। গাণিতিক যুক্তি, ডিজিটাল যুক্তি, গণকযন্ত্রের প্রোগ্রামিং, সেট তত্ত্ব এবং পরিসংখ্যানে বুলিয়ান -বীজগণিতের ব্যবহার রয়েছে। জর্জ বুল সর্বপ্রথম গণিত ও যুক্তির মধ্যে সম্পর্ক আবিষ্কার করেন এবং গণিত ও যুক্তির ওপর ভিত্তি করে এক ধরনের বীজগণিত তৈরি করেন, যাকে বুলিয়ান বীজগণিত বলা হয়।
লজিক গেট
লজিক গেট (ইংরেজি:logic gate) হলো এক ধরনের ডিজিটাল ইলেক্ট্রনিক বর্তনী যা বুলিয়ান -বীজগণিত ব্যবহার করে বিভিন্ন ধরনের যৌক্তিক অপারেশন করে থাকে। লজিক গেট বলতে সাধারণত লজিক সার্কিটকে বুঝায় যাতে এক বা একাধিক বাইনারি ইনপুট এবং কেবল একটি আউটপুট থাকে। মৌলিক লজিক গেট ৩ প্রকার যথা:১.অ্যান্ড গেট(AND) ২.অর গেট(OR) এবং ৩.নট গেট(NOT)।
ইউনিভার্সাল লজিক গেট বা সার্বজনীন লজিক গেট হলো সেইসমস্ত গেট,যেগুলো ব্যবহার করে সবকটি বেসিক গেট বা প্রাথমিক গেট (অর,অ্যান্ড ও নট) তৈরি করা যায়। দুটি ইউনিভার্সাল গেট রয়েছে। সেগুলি হল – ১.নর গেট(NOR) এবং ২.ন্যান্ড(NAND) গেট।

