সংখ্যা পদ্ধতি | BCS Preparation

সংখ্যা পদ্ধতি বিষয়টি যেকোন প্রতিযোগিতামুলক পরিক্ষার [ Competitive Exam ] এর ICT বা তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অংশের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আমাদের ভিডিও গুলোতে আমরা বিসিএস [ BCS Prepration ], বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরিক্ষার প্রস্তুতি [ University Admission Preparation ] , চাকরি পরিক্ষার প্রস্তুতি [ Job Exam Preparation ] এবং বিভিন্ন ধরনের প্রতিযোগিতা মুলক পরিক্ষার প্রস্তুতিমূলক সাজেশন, বিভিন্ন ধরনের টিপস ও এর সিলেবাস পড়িয়ে থাকি ।

 

সংখ্যা পদ্ধতি

 

প্রাচীন মিশরীয় সংখ্যা পদ্ধতি

আনুমানিক খ্রিষ্টপূর্ব ৩০০০—৩৪০০ অব্দে ভাষা ও সংখ্যা নির্দেশ করতে বিভিন্ন চিত্রলিপির সাহায্য নিত। এই চিত্রলিপিকে বলা হয় হায়রোগ্লিফিক্স। হায়রোগ্লিফিক্স শব্দটি মূলত গ্রিক Hero (পবিত্র) এবং Glyphein (রেখাঙ্কন) শব্দদুটির সমন্বয় গঠিত।এই পদ্ধতিতে মূলত সাতটি পৃথক চিহ্ন ব্যবহার করে ১০ ভিত্তিক হিসাব—নিকাশ করা হতো। চিহ্নগুলো পরিচয় নিচে দেওয়া হলো।

 

•  ১—৯ : একক স্ট্রোক দ্বারা ১ দেখানো হয়েছে। ২ থেকে ৯ পর্যন্ত বিভিন্ন স্ট্রোকের গুণিতক।
•  ১০ : আল্টো ট দ্বারা বুঝানো হয়।
•  ১০০ : একটি কুন্ডলি দ্বারা বুঝানো হয়।
• ১০০০ : এক পদ্ম গাছের ছবি দ্বারা বুঝানো হয়।
•  ১০,০০০ : একটি আঙ্গুলের ছবি দ্বারা বুঝানো হয়।
•  ১০০,০০০ : একটি ট্যাডপোল বা ব্যাঙ দ্বারা বুঝানো হয়।
•  ১,০০০,০০০ : মাথার উপরে হাতিয়ার সহ হাত উত্তোলন করা এক দেবতার ছবি দ্বারা বুঝানো হয়।

 

ব্যাবিলনীয়দের সংখ্যা পদ্ধতি

পাটিগণিত ও জ্যোতির্বিদ্যা বিকশিত হয়ে ছিল ব্যাবিলনে। ব্যাবিলনীয়রা সংখ্যা -পদ্ধতি প্রকাশ করত ৬০ এর গুণিতক আকারে। তাই ব্যাবিলনীয়দের সংখ্যা -পদ্ধতিকে ষাটমূলক পদ্ধতিও বলা হয়। ব্যাবিলনীয়দের সংখ্যা -পদ্ধতি আধুনিক দশমিক সংখ্যা -পদ্ধতির মতো সঠিক স্থান—মান(True place Value) ব্যবস্থা ব্যবহার ছিল , যেখানে বাম কলামের লেখা অংক গুলো বৃহত্তর মানকে উপস্থাপন করে। ব্যাবিলনীয়দের সংখ্যা- পদ্ধতি কিউনির্ফম নামে পরিচিত। এটিতে দুইটি চিহ্ন ব্যবহার করা হয় ১, ১০।

মায়াদের সংখ্যা পদ্ধতি

মায়াদের সংখ্যা- পদ্ধতি ছিল ৫ ভিত্তিক, তবে তারা শূন্যের জন্য আলাদা প্রতীক ব্যবহার করত।

শূন্য (০) এর আবিষ্কার

আনুমানিক ৬০০ খ্রিষ্ট্রাব্দে সর্বপ্রথম ভারতীয় গণিতবিদ আর্যভট্র শূন্য এর আবিষ্কার করেন। ৬২৮ সালে ভারতীয় গণিতবিদ ব্রহ্মগুপ্ত শূন্য এর ব্যবহার সম্পর্কিত নিয়মকানুনের ধারনা দেন।

 

সংখ্যা পদ্ধতি কি

কোন কিছু গণনা করার জন্য কতিপয় সাংকেতিক চিহ্ন ব্যবহার করে সংখ্যা লেখা বা প্রকাশ করার পদ্ধতিই হলো সংখ্যা -পদ্ধতি । এইসব সাংকেতিক চিহ্ন বা প্রতীকগুলোকে বলা হয় অংক। অর্থাৎ সংখ্যা তৈরির ক্ষুদ্রতম প্রতীক হলো অংক। সুতারং এক বা একাদিক অংক পাশাপাশি বসে তৈরি হয় সংখ্যা।

সংখ্যা পদ্ধতির প্রকারভেদ

সংখ্যা -পদ্ধতিকে প্রধানত দুই ধরনের,
১. অস্থানিক সংখ্যা -পদ্ধতি (Non Positional)
২. স্থানিক সংখ্যা -পদ্ধতি (Positional)

সংখ্যা পদ্ধতি নিয়ে বিস্তারিত ঃ

Leave a Comment