দশমিক থেকে বাইনারি বিষয়টি যেকোন প্রতিযোগিতামুলক পরিক্ষার [ Competitive Exam ] এর ICT বা তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অংশের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আমাদের ভিডিও গুলোতে আমরা বিসিএস [ BCS Prepration ], বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরিক্ষার প্রস্তুতি [ University Admission Preparation ] , চাকরি পরিক্ষার প্রস্তুতি [ Job Exam Preparation ] এবং বিভিন্ন ধরনের প্রতিযোগিতা মুলক পরিক্ষার প্রস্তুতিমূলক সাজেশন, বিভিন্ন ধরনের টিপস ও এর সিলেবাস পড়িয়ে থাকি ।
Table of Contents
দশমিক থেকে বাইনারি
ডেসিমল বা দশমিক সংখ্যা (Decimal Number System)
Decimal শব্দটি এসেছে ল্যাটিন decem থেকে। ডেসি শব্দের অর্থ হলো ১০ (দশ)। যে পদ্ধতিতে সংখ্যা গণনা করার জন্য ১০ (দশ) টি অঙ্ক বা প্রতীক ব্যবহৃত হয় তাকে ডেসিমল সংখ্যা বলে। কারণ এই পদ্ধতিতে মোট দশটি মৌলিক চিহ্ন আছে। যেমন ০,১,২,৩,৪,৫,৬,৭,৮,৯। যেমন—(1421)10 একটি দশমিক সংখ্যা। প্রচীন ভারত ও আরবে সর্বপ্রথম ডেসিমল বা দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি চালু হয়েছিল বলে অনেকে একে হিন্দু—আরবীয় সংখ্যা পদ্ধতি বলতো। যেমন ৪৫৬ একে ভেঙ্গে লিখলে হবে 4 ˣ 102 + 5 ˣ 101 + 6 ˣ 100 = 456
NB: শূন্য ছাড়া যে কোন সংখ্যার ঘাত (Power) শূন্য হলে তার মান ১ হয়।
বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (Binary Number Syster):
Binary শব্দটি এসেছে ল্যাটিন ইরহর থেকে । বাই (Bi) শব্দের অর্থ হলো দুই। যে সংখ্যা পদ্ধতিতে সংখ্যার গণনার জন্য দুই অঙ্ক বা প্রতীক ব্যবহৃত হয় তাকে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি বলে। এই পদ্ধতিকে দ্বিমাতিক সংখ্যা পদ্ধতি ও বলা হয়।এই পদ্ধতিতে ব্যবহৃত প্রতীক বা অঙ্ক হলো ১ এবং ০। বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে প্রতিটি বিট ( Binary Digit এর সংক্ষিপ্ত রূপ ) বলে। সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি হলো ২। বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি সবচেয়ে সরলতম সংখ্যা পদ্ধতি।
দশমিক সংখ্যা হতে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করতে হলে দশমিক -সংখ্যাটিকে ২ দ্বারা ভাগ করে ভাগশেষ সংরক্ষণ করা হয় এবং প্রাপ্ত ভাগফলকে পুনরায় ২ দ্বারা ভাগ করতে হয়। এভাবে ততক্ষণ পর্যন্ত ভাগ করতে হবে যতক্ষণ পর্যন্ত না ভাগফল 0 হয়। এবার ভাগশেষগুলো বিপরীত দিক হতে পাশাপাশি লিখে দশমিক সংখ্যাটির সমকক্ষ বাইনারি সংখ্যা পাওয়া যাবে।
